জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক।

দেশ জুড়ে আলোড়ন তোলা কিছু অপরাধের ঘটনা গণমাধ্যমে গুরুত্ব পেলে অনেক সময় সরকার উদ্যোগ নেয় দ্রুত বিচারের, যেমন নেওয়া হয়েছে রামিসার ক্ষেত্রে। দ্রুত বিচার শুধু রামিসার জন্য নয়, সেঁজুতির মতো প্রতিটি নাগরিকের জন্য রাষ্ট্রের সাংবিধানিক অঙ্গীকার রয়েছে।

ব্যাংক কোনো দলের না, আমানতকারীর। মালিকানা যারই হোক, ব্যাংক কোম্পানি আইন মানতে হবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে সরকার পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের বদল করে ফেলে তা ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য উদ্বেগজনক। রাজনীতি নয়, পেশাদারত্বই হোক ইসলামী ব্যাংক পরিচালনার একমাত্র নীতি।

উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বাড়ে, বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান হয়, কর্মসংস্থান হলে বেকার কমে, বেকার কমলে দারিদ্র্য হ্রাস পায়।

সাত সমুদ্র তের নদী অতিক্রম করে চড়া দামের আমেরিকান পণ্য আনতে পরিবহণ খরচও বেশি দিতে হবে। এতেও আপত্তি নেই।

অধ্যাপক ইউনূস দেশের যতগুলা সেক্টর ধ্বংস করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হল স্বাস্থ্য সেক্টর। অন্তর্বর্তী সরকারে একজন ভাবলেশহীন নির্বিকার স্বাস্থ্য উপদেষ্টাও ছিলেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা সমাধানে তাকে কখনো সক্রিয় ও কর্মতৎপর হতে দেখা যায়নি।